প্রোফাইল জনাব খলিল আহমেদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা এবং সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব। প্রায় আড়াই দশকের দীর্ঘ প্রশাসনিক ক্যারিয়ারে তিনি মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নীতি-নির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নেত্রকোণায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ওয়াসা এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে মাঠ প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় প্রশাসনে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করে প্রকল্প মনিটরিং, নীতি বাস্তবায়ন এবং কর্মসম্পাদন মূল্যায়নে দক্ষতা ও সুনাম অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুগ্মসচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকার পর বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে পদায়িত হন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ে এমপিএ এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বেডফোর্ডশায়ার থেকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তিনি দেশ-বিদেশে একাধিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন; যুক্তরাজ্য, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইতালিতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, মিড-ক্যারিয়ার ট্রেনিং এবং মনিটরিং ও ইভালুয়েশন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ উল্লেখযোগ্য।
প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি একজন সৃজনশীল লেখক হিসেবেও পরিচিত। তাঁর রচিত নাটক ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে রাশমনি, বৈশাখী ফকির, ষড়ঋতুর চক্রবাক, হ্যাপি মাদার’স ডে ইন ইংল্যান্ড, চেয়ারম্যানের ভোট, অসাবধানতা, আধুনিক ফকির, গেদু কবিরাজ, নামজারি প্রভৃতি, যা তাঁর সাহিত্যচর্চা ও সমাজ-বাস্তবতা অনুধাবনের সক্ষমতার প্রতিফলন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তাঁর সহধর্মিণী শায়লা পারভীন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাইকা’য় কর্মরত। তাঁদের তিন পুত্র সন্তান- সালিন ইবনে আহমেদ, সাওম ইবনে আহমেদ এবং শাহরোজ ইবনে আহমেদ। |