মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
বিবিচিনি শাহী মসজিদ বরগুনা থেকে বাসযোগে বেতাগি যাওয়ার পর মোটরসাইকেল অথবা রিক্সাযোগে গন্তব্যস্থলে পৌছে যেতে পারবেন।এমনকি বরিশাল হতে বাস যোগে সরাসরি এই দর্শনীয় স্থানে যেতে পারবেন।
কুয়াকাটা ঢাকা কিংবা যশোর থেকে সরাসরি বিআরটিসি, দ্রুতি পরিবহন, সাকুরা পরিবহনসহ একাধিক পরিবহনের গাড়ীতে গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে কুয়াকাটায় আসতে পারবেন। এছাড়া যে কোন স্থান থেকে রেন্ট-এ-কার যোগেও আসতে পারেন। তবে বরিশালের পর সড়ক যোগে কুয়াকাটায় পৌঁছাতে আপনাকে লেবুখালী ফেরী পারাপার হতে হবে। ঢাকা সদরঘাট থেকে বিলাস বহুল ডাবল ডেকার এম.ভি পারাবত, এম.ভি সৈকত, এম.ভি সুন্দরবন, এম.ভি সম্পদ, এম.ভি প্রিন্স অব বরিশাল, এম.ভি পাতারহাট, এম.ভি উপকূল লঞ্চের কেবীনে উঠে সকালের মধ্যে পটুয়াখালী কিংবা কলাপাড়া নেমে রেন্ট-এ-কার যোগে এবং পটুয়াখালী-কুয়াকাটা রুটের বাসে চড়ে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা পৌঁছাতে পারেন। ঢাকা থেকে উল্লেখিত রুট সমূহের লঞ্চ গুলো বিকাল ৫ থেকে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে লঞ্চ ঘাট ত্যাগ করে থাকেন।
আঃ রাজ্জাক বিশ্বাসের সাপের খামার পটুয়াখালী জেলা বাসষ্ট্যান্ড থেকে দক্ষিন দিকে হেতালিয়া বাধঘাট, হেতালিয়া বাধঘাট থেকে পশ্চিম দিকে বোতলবুনিয়া বাজার হয়ে নন্দিপাড়া ব্রিজ পাড়হয়ে পশ্চিমপাড় গিয়ে কিছু দক্ষিনে আঃ রাজ্জাক বিশ্বাসের নিজ বাড়িতে সাপের খামার।
শিব বাড়ি মন্দির ও ঠাকুর বাড়ি ঝালকাঠি উপজেলা গেইট থেকে অটো/ রিক্সা যোগে খেয়াঘাট এসে ট্রলার থেকে নদী পাড় হয়ে টেম্পু বা মটর সাইকেল যোগে পোনাবালিয়ার হাজরাগাতী গ্রামে শিববাড়ি যাওয়া যায়। ভাড়ার হার- ২০-৩০ টাকা(জনপ্রতি)। শত বছরের কালপরিক্রমায় পোনাবালিয়া ইউনিয়নস্থিত হাজরাগাতী গ্রামে শিববাড়ি মন্দির রয়েছে। এইমন্দিরে প্রতি বছর ফাল্গুনী চতুদর্শীতে মহাসমারোহেতিনদিনব্যাপীমেলার ও বিভিন্ন পুজার অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এ মেলায় ও পুজানুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে প্রথম দিন অধিবাস ও সমবেত উপাসনা।দ্বিতীয় দিন উষা লগ্নে মঙ্গলআরতি, প্রভাতীশিবসঙ্গীত, শিবপূজা, বিষ্ণুপূজা, গুরুপূজা, সপ্তসতীচণ্ডীপাঠ, পুষ্পাঞ্জলিওদুপুরেমহাপ্রসাদবিতরণ।এছাড়া এই মেলায় হিন্দু মুসলমান সকলই অংশ নেয়।বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র উঠে।বিশেষ করে মিষ্টির,জিলাপী আরও অনেক কিছুর দোকান দিয়ে বসে এলাকাবাসী ও নানান জায়গা থেকে আগত ব্যবসায়ীরা।
ধর্ম প্রচারক আলহাজ্ব মোঃ লেহাজ চাঁন চিশতী (রহঃ)এর মাজার যাতায়াত – ঝালকাঠি উপজেলা গেইট থেকে অটো/ রিক্সা যোগে খেয়াঘাট এসে ট্রলার থেকে নদী পাড় হয়ে টেম্পু বা মটর সাইকেল যোগে পোনাবালিয়ার ছিলারিশ গ্রামে যাওয়া যায়। ভাড়ার হার- ২০-২৫ টাকা। (জনপ্রতি)। ধর্ম প্রচারক আলহাজ্ব মোঃ লেহাজ চাঁন চিশতী (রহঃ) একজন চিশতীয়া তরিকার আত্মাধিক সাধক ছিলেন।তিনি তার মুরিদদের ইসলামী জ্ঞান এর শিক্ষা দিতেন। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি অগ্রনী ভুমিকা পালন করতেন।দেশের বিভিন্ন জায়গায় হতে তার কাছে লোকজন আসতো্।দেশের প্রায় অঞ্চলেই তার মুরিদগন রয়েছেন। জন্ম-সম্ভবত তিনি ১৯১০ বা ১৯১১ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন।তার বাবার নাম-মমিন উদ্দিন।তারা দুই ভাই ও এক বোন ছিলেন।তারা এখন কেউই বেঁচে নাই।শিক্ষা জীবন-তিনি ভাওতিতা সরকারি প্রাঃ বিঃ হতে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন ও বাড়ির মক্তবে কুরআন শিক্ষা লাভ করেন।তিনি সৌদি থেকে আগত আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের কাছে আত্মাধিক মারফত জ্ঞান লাভ করেন।তিনি দেশ ও দেশের বাহিরে বিভিন্ন অলিদের মাজার ভ্রমন করেন। কর্মজীবন-কর্মজীবনে তিনি কাঠের নৌকা ও লাঙ্গল তৈরি করে বিক্রি করতেন।আর কাজের ফাকে ছফর করতেন।একমূহর্তে আল্লাহকে পাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান।কিছু বছর পরে তিনি আবার তার নিজ এলাকায় ছিলারিশ গ্রামে এসে খানকা তৈরি করে দিনের প্রচার করা শুরু করেন।বেশ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি গ্রামের মানুষের কাছে একজন কামেলদার ব্যক্তি হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।তিনি ১৩৭৯ সালের ১০ ই আষাঢ় এহদাম ত্যাগ করেন।মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। মৃত্যুর পর তার নিজ বাড়ির সামনে মাজার নির্মান করা হয়। এখন এই মাজারের খলিফা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ দলিল উদ্দিন খলিফা ও যাবতীয় সহযোগীতায় আছেন মৌলভী এছকেন্দার আলী বেপারী।
কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ী ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস মোড় হতে ১৫/২০ মিনিট অটোরিক্সা করে কীর্তি পাশা বাজার । বাজার থেকে ২/৩ মিনিট পায়ে হেটে কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ী।
হযরত দাউদ শাহের মাজার ঝালকাঠি জেলার ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে কলেজ মোড় অটোরিক্সা ৫ টাকা। এর পর টেম্পু/বাস/মোটর সাইকেল যোগে নবগ্রাম বাজার ৩০-৪০ টাকা ভাড়া। নবগ্রাম বাজার থেকে পূর্ব দিকে বিনয়কাঠি কলেজের কাছেই সুগন্ধিয়া গ্রাম অবস্থিত। এখনেই হযরত দাউদ শাহের মাজার ।
মির্জাগঞ্জের মাজার আসার সহজ উপায় বরিশাল থেকে বাকেরগঞ্জ থেকে সহজ উপায়ে সুবিদখালী আসার পরে সুবিদখালী থেকে রিস্কা যোগে সরাসরি মির্জাগঞ্জ মাজার। অন্য উপায় হল পটুয়াখালী থেকে বাস গাড়ি অথবা হোন্ডা যোগে পায়রাগঞ্জ এসে নদী পার হয়ে রিস্কা অথবা হোন্ডা যোগে সরাসরি মির্জাগঞ্জ মাজার।
চর কুকরি মুকরি ভোলা থেকে প্রথমে চর ফ্যাশন এর চর ক্চ্ছপিয়াতে যেতে হবে । সেখান থেকে ট্রলার, নৌকা আথবা ছোট ছোট লঞ্চ দিয়ে চর কুকরি মুকরি যাওয়া যায় ।
১০ দেউলি ভোলা থেকে বাসযোগে বোরহানুদ্দিন উপজেলায় যেতে হবে। তারপর সেখান থেকে রিক্সাযোগে অথবা অটো রিক্সা দিয়ে যাওয়া যায় ।
১১ মনপুরা ফিশারিজ লিমিটেড ভোলা থেকে প্যথমে তজুমুদ্দিন সি ট্রাক ঘাটে যেতে হবে । সেখান তেকে বিকাল ৩.০০ টায় সি ট্রাক দিয়ে মনপুরায় যাওয়া যায় ।এছাড়া ঢাকা তেকে আসা লঞ্চেও মনপুরা যাওয়া যায় । আথবা দিনের বিভিন্ন সময় ট্রলার যোগেও মনপুরা যাওয়া যায় । মনপুরা ঘাটে নেমে রিক্সা অথবা অটো রিক্সা যোগে যাওয়া যায় ।
১২ ঢাল চর ভোলা থেকে প্রথমে চর ফ্যাশন এর চর ক্চ্ছপিয়াতে যেতে হবে । সেখান থেকে ট্রলার, নৌকা আথবা ছোট ছোট লঞ্চ দিয়ে ঢাল চর যাওয়া যায় ।
১৩ সোনাকাটা সমুদ্র সৈকত তালতলি উপজেলা সদর থেকে মোটর সাইকেল যোগে খুব সহজেই সোনাকাটা সমুদ্র সৈকতে পৌছে যাবেন।
১৪ লালদিয়া বন বরগুনা হতে বাসযোগে পাথরঘাটা যাওয়ার পর মোটর সাইকেলে অতি সহজে লালদিয়া বনে যাওয়া যাবে। এছাড়াও পিরোজপুর হয়ে পাথরঘাটায় যাওয়া যায়।
১৫ ফাতরার বন ও ইকোপার্ক আমতলী ও তালতলী সড়ক হয়ে তালতলী যাওয়ার পর মোটর সাইকেল যোগে অতি সহজেই গন্তব্য স্হলে যাওয়া যায়।
১৬ রাখাইন পল্লী আমতলী- তালতলী সড়ক হয়ে অতি সহজে তালতলীর রাখাইন পল্লীতে যাওয়া যায়।
১৭ চলচিত্র প্রজোযক আরিফ মাহমুদের বাড়ি বরিশাল থেকে বাসে বা মটর সাইকেলে মুলাদী প্যাদার হাটা।