মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বরিশাল বিভাগের দর্শনীয় স্থান

 

বরিশাল বিভাগের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হলো পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমূদ্র সৈকত,  বরিশালের মাধবপাশার দূর্গাসাগর দীঘি,  বরগুনার সোনার চর,  ইত্যাদি।

 

 কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতঃ  কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের জন্য পটুয়াখালী জেলা ‘‘সাগর কন্যা’’ নামে খ্যাত।

'‘কুয়া’’ শব্দ থেকে স্থানীয়ভাবে কুয়াকাটা নামটি হয়েছে বলে সকলের ধারনা। এ অঞ্চলে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকেরা আবাস গড়ার পর খাওয়ার পানির জন্য কূপ খনন করে এবং সেখান থেকেই এ নামকরণের সৃষ্টি হয় বলে অনেকের ধারণা। এ সৈকত একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায় যা বিশ্বে বিরল। প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক এ সৈকতে ভ্রমণে আসেন। সৈকতটি প্রায় ১৮ কিঃমিঃ দীর্ঘ এবং ১ কিঃমিঃ প্রশস্ত। সৈকতের পাশে সবুজ বনের বেষ্টনী ছাড়াও আছে সারি সারি নারিকেল গাছ। প্রতি বছর রাশ পূর্ণিমার সময় এখানে বড় মেলা বসে। এ মেলায় দূর-দূরন্ত থেকে প্রচুর মানুষ আসে।

 

 দূর্গা সাগরঃ বহু বছরের পুরনো বড় দিঘী। পিকনিক এবং বেড়ানোর জন্য সুন্দর ব্যবস্থা আছে এখানে। বছরের বিভিন্ন সময়ে এখানে প্রচুর পাখির সমাগম হয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সর্ববৃহৎ দীঘি, যার আয়তন ২,৫০০ হেক্টর। ১৭৮০ সালে রাজা জয় নারায়ণের মাতা রানী দূর্গাবতী এ দীঘি খনন করান। দীঘির মাঝখানে জঙ্গলাকীর্ণ টিবি রয়েছে, যা দেখতে ছোট দ্বীপের মতো এবং স্থানটি পাখীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

মনপুরা দ্বীপঃ মনপুরা ভোলা জেলার সর্বদক্ষিণে কয়েকটি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত একটি উপজেলা। মূল দ্বীপ মনপুরা ছাড়া চর নিজাম, কলাতলীর চর, ঢালচর, চর পাতিলা, পদ্মার চর, চর কৃষ্ণপ্রসাদ ইত্যাদি নামে দর্শণীয় কয়েকটি দ্বীপ রয়েছে। প্রায় প্রতিটি দ্বীপে বনভূমি আছে। যেখানে হরিণসহ বিভিন্ন বণ্যপ্রাণী দেখতে পাওয়া যায়।

 

সোনারচরঃবরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার দক্ষিণেএকটি ছোট সমুদ্র সৈকত। মোহনা ঘিরে আছে সবুজ বেষ্টনী। জোয়ারের সময় সবুজ বেষ্টনী ৭/৮ ফুট পানির নীচে চলে যায়। দর্শণীয় এ সৈকতে নিরাপদে গোসল করা যায়।